প্রশান্তচিত্ত মুমিনের ভাবনা
প্রকাশনী: কামিয়াব প্রকাশন
পৃষ্ঠা: 24
বাঁধাই: পেপার ব্যাক
সম্পূর্ণ বিবরণ →এবার (২০০৭) ইংল্যান্ড সফরে ম্যানচেস্টারে ইসলামিক ফোরামের পক্ষ থেকে একটা বিশেষ সমাবেশ করা হয়। ফোরামের অন্যতম কেন্দ্রীয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার ডক্টর দিলদার আহমদ চৌধুরী পরামর্শ দিলেন যে, এমন কিছু নসীহত করুন, যাতে আমাদের সংগঠনের সবাই উদ্বুদ্ধ হয় ও প্রেরণা পায়। ইসলামিক ফোরাম ইউরোপ-এর ম্যানচেস্টার শাখার দায়িত্বশীল আবদুল্লাহিল মুমিন আযমীও অনুরূপ দাবি জানাল। ভেবে-চিন্তে ‘প্রশান্তচিত্ত মুমিনের ভাবনা’ শিরোনামে একটি সিনপ্সিস্ তৈরি করে সমাবেশে উপস্থিত নারী-পুরুষ সবার কাছে পৌঁছাতে বললাম। আলোচনার সময় ভূমিকায় বললাম, বিষয়টা সম্পর্কে কারো ধারণা হতে পারে যে, শ্রোতাদের জন্য এটা ‘হাই ডোজ’ হয়ে যাবে। মুমিনের ভাবনা তো অবশ্যই অত্যন্ত উচ্চ মানের হওয়া প্রয়োজন। আমার গন্তব্য কতদূর, তা জানা না থাকলে সেখানে পৌঁছার প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা চলবে না। মুমিন হিসেবে আমাদের ভাবনা কেমন হওয়া আবশ্যক তা-ই আলোচনা করতে চাই, যাতে সেই মানে উন্নীত হওয়ার প্রেরণা জাগ্রত হয়। মুমিন আযমী নিজেই গোটা আলোচনা ভিডিও করে রাখলো। লন্ডনে ‘দাওয়াতুল ইসলাম ইউকে’ তাদের দায়িত্বশীলদের সমাবেশে আমাকে দাওয়াত দিলেন। বিষয় সম্পর্কে আমার পরামর্শ চাইলে আমি কয়েকটা সিন্পসিস্ দিলাম। তাঁরা এ বিষয়টির গুরুত্ব অনুভব করলেন বলে সেখানেও এ বিষয়েই আলোচনা করলাম। কুরআন মাজীদ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন, ﴾ ہٰذَا بَیَانٌ لِّلنَّاسِ وَ ہُدًی وَّ مَوۡعِظَۃٌ لِّلۡمُتَّقِیۡنَ ﴿ “এই (কুরআন) মানবজাতির জন্য একটি সুস্পষ্ট সাবধানবাণী এবং যারা আল্লাহকে ভয় করে তাদের জন্য হেদায়াত ও উপদেশ।” (সূরা ৩; আলে ইমরান ১৩৮) অর্থাৎ, সকলের উদ্দেশ্যেই কুরআন পাঠানো হয়েছে বটে, কিন্তু সবাই এ থেকে হেদায়াত ও উপদেশ গ্রহণ করতে সক্ষম নয়। এ পুস্তিকার আলোচ্য বিষয় শুধু তাদের জন্যই উপযোগী হতে পারে, যারা ইসলামকে পরিপূর্ণ জীবনবিধান বলে বিশ্বাস করে, যারা ইসলামকে বিজয়ী করার সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা বড় ফরয মনে করে এবং এ উদ্দেশ্যে গঠিত সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত হওয়াও ফরয বলে স্বীকার করে। আল্লাহ তাআলা এ পুস্তিকাটির উদ্দেশ্য পূরণ করুন।