মুহতারাম আলেমসমাজ ও দীনদারদের খিদমতে জরুরি প্রশ্ন
প্রকাশনী: কামিয়াব প্রকাশন
পৃষ্ঠা: 24
বাঁধাই: পেপার ব্যাক
সম্পূর্ণ বিবরণ →আল্লাহ তাআলা যাদেরকে দীনের ইলম দান করেন, তারা এ মহানিয়ামত শুধু নিজেই ভোগ করেন না, সাধ্যমতো অন্যদের নিকটও তা বিতরণ করেন। প্রত্যেক আলেমই দীনের খিদমত করে থাকেন। যার পক্ষে যেভাবে যতটুকু সম্ভব দীনের খিদমতে লেগে আছেন। অশিক্ষিত সাধারণ মুসলমানদের মধ্যেও দীনের যেটুকু ধারণা আছে, তা একমাত্র আলেমসমাজেরই অবদান। যারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে, রাসূল (স)-কে ভালোবাসে, কুরআনকে ভক্তি-শ্রদ্ধা করে, নামায-রোযা করে॥একমাত্র আলেমসমাজই তাদের শিক্ষক। পাক-ভারত-বাংলা উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনকালে সাইয়েদ আহমদ ব্রেলভী (র) ও মাওলানা শাহ ইসমাইল ইসলামী রাষ্ট্র ও সরকার কায়েম করে দীন ইসলামকে বিজয়ী করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ১৮৩১ সালে বালাকোটের ময়দানে তাঁদের শাহাদাতের পর এ আন্দোলন থেমে যায়। এরপর ১০০ বছরের মধ্যেও ইসলামী রাষ্ট্র ও সরকার কায়েম করার ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ঐ কুফরী শাসনামলে আলেমসমাজের আপ্রাণ চেষ্টায় কোনো রকমে কুরআন ও হাদীসের শিক্ষা চালু থাকে এবং মুসলিম জাতির ঈমান রক্ষা পায়। ১৯৪৭ সালে মুসলিম জাতির ঐক্যপ্রচেষ্টার ফলে ভারত বিভক্ত হওয়ার পর ইসলামকে বিজয়ী করার উদ্দেশ্যে আন্দোলন গড়ে ওঠে। বাংলাদেশে বর্তমানে বেশ কয়েকটি ইসলামী দল এ উদ্দেশ্যে জনগণকে সংগঠিত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এখনো আলেমসমাজের বিরাট অংশ ময়দানে সক্রিয় হননি। তারা যদি সকলে এ আন্দোলনে এগিয়ে আসেন তাহলে জনগণ তাদের নেতৃত্বে সংগঠিত হবে। রাজনৈতিক ময়দান বেদীনদের হাতে ছেড়ে দেওয়ার ফলেই জনগণ বাধ্য হয়ে তাদের নেতৃত্ব মেনে নেয়। আলেমসমাজ অগ্রসর হলে সকল দীনদারই তাদের পেছনে কাতারবন্দী হবেন। তাই আলেমসমাজ ও দীনদারদের দৃষ্টি আকর্ষণের উদ্দেশ্যেই এ বইটি রচিত।