ইসলাম ও বিজ্ঞান
প্রকাশনী: কামিয়াব প্রকাশন
পৃষ্ঠা: 16
বাঁধাই: পেপার ব্যাক
সম্পূর্ণ বিবরণ →আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা ধর্মনিরপেক্ষ। জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখায়ই যা কিছু শিক্ষা দেওয়া হয়, এর কোথাও বিশ্বস্রষ্টার উল্লেখ বা ঐশ্বী জ্ঞানের কোনো চর্চা হয় না। এ শিক্ষায় যারা উচ্চ শিক্ষা লাভ করেন, তারা যত জ্ঞানীই হোন, ঊধশধভণ ঐলধঢটভডণ-এর প্রয়োজনীয়তা বোধ করেন না। উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে যারা এর প্রয়োজন বোধ করেন, তারা নিজেদের প্রচেষ্টায় বা পারিবারিক প্রভাবে সে শিক্ষা লাভ করেন। শিক্ষাব্যবস্থা তাদেরকে এ শিক্ষা দেয় না। ফলে অনেক শিক্ষিত লোক জ্ঞান-বিজ্ঞান, ইতিহাসের অভিজ্ঞতা ও নিজেদের মেধাকেই যথেষ্ট মনে করেন। বিশেষ করে বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কার ও প্রযুক্তির চমকপ্রদ উন্নতিতে প্রভাবিত হয়ে তারা আল্লাহ, রাসূল, ওহীর জ্ঞান ইত্যাদিকে ধর্মীয় সংস্কার বলেই গণ্য করেন। ইউরোপে রেনেসাঁর যুগে বিজ্ঞানের উন্নতির পথে খ্রিস্টধর্ম প্রচ- বাধা সৃষ্টি করায় সে ধর্মের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ সৃষ্টি হয়, সে কথা অবগত হয়ে অনেক শিক্ষিত মানুষ ইসলামকেও তেমনি এক ধর্ম মনে করেন। ফ্রান্সের চিকিৎসাবিজ্ঞানী ডা. মরিস বুকাইলি 'কদণ ঈধঠফণ, কদণ লৈরটভ ইভঢ ওডধণভডণ' নামক বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থে প্রমাণ করেছেন যে, ‘বাইবেল মানব রচিত বলেই বিজ্ঞানের সাথে বাইবেলের বিরোধ রয়েছে। আর কুরআন আল্লাহর বাণী বলেই বিজ্ঞানসম্মত।' মানব জাতির শান্তি, উন্নতি ও প্রগতির প্রয়োজনেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কুরআনী জীবনবিধান অনুযায়ী ব্যবহার করা অপরিহার্য। তা না হলে মানব জাতির ধ্বংস অনিবার্য॥ এ কথাই এ বইটির প্রতিপাদ্য।