আযানের মাধ্যমে কাদেরকে নামাযের জন্য ডাকা হয়
প্রকাশক: কামিয়াব প্রকাশন
এ বইয়ে ভিন্ন ভিন্ন দুটো বিষয় রয়েছে। প্রথমত ‘আল্লাহর দীন কায়েমই পার্থিব উন্নতি ও সুখ-শান্তির উপায়।’ এরপর রয়েছে ‘কাদেরকে আযানের মাধ্যমে নামাযের জন্য ডাকা হয়।’ এ দুটো বিষয়ের আলোচনা কোনোটিই এক ফর্মা পরিমাণ নয়। দুটো বিষয় মিলে এক ফর্মায় জায়গা হয়েছে।
দুটো বিষয়ই দু'জন দীনী ভাইয়ের ফরমায়েশে লেখা হয়েছে। বিষয় দুটো আমার নির্বাচিতও নয়। প্রথমটি রিয়াদে কর্মরত জনাব নুরুল ইসলাম আহমদ দিয়েছেন। তিনি আমাকে বিষয়টির জন্য কুরআন ও হাদীসের উদ্ধৃতি সংগ্রহ করার উদ্দেশ্যে ‘জীবিকার চাবিকাঠিসমূহ’ নামে সৌদি আরবের প্রফেসর ড. ফযলে ইলাহীর লেখা আরবী বইয়ের বাংলা অনুবাদও দিলেন। উদ্ধৃতিসমূহ ঐ বই থেকেই সংগ্রহ করেছি। দ্বিতীয় বিষয়টি ঢাকার উত্তরাস্থ ‘হলি চাইল্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এর অধ্যক্ষ জনাব আশরাফুল হক দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ! বিষয় দুটোই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের ফরমায়েশ অনুযায়ীই লেখা সমাপ্ত হলো।
২০০৮ সাল পর্যন্ত আমার লেখা ইসলামী ও রাজনৈতিক বইয়ের সংখ্যা এক শ' ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে শতকরা ৭৫টিই চটি বই। কয়েকটি ছাড়া সবক'টিই জামায়াতের ইমারতের দায়িত্ব থেকে ২০০০ সালের ডিসেম্বরে অব্যাহতি পাওয়ার পর লেখা। ২০০৯ সালে এ নতুন বই ছাড়া অন্য কোনো বই লেখা হয়নি।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের অবিশ্বাস্য, অসম্ভব ও রহস্যজনক ফলাফলে আধিপত্যবাদী শক্তির দালালদের হাতে দেশের পূর্ণ ক্ষমতা চলে গেল। ২০০৯ সালের ফেব্র“য়ারিতে বিডিআর বিদ্রোহের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনী পঙ্গু হয়ে গেল। এ দুটো ঘটনায় আমার কলম স্তব্ধ হয়ে গেছে। বর্তমান সরকার প্রতিবেশী দেশের স্বার্থকেই প্রাধান্য দিচ্ছে। দেশ ও জনগণের স্বার্থে কিছু করছে বলে বোঝা যাচ্ছে না।
আমাদের সীমান্ত অরক্ষিত। দেশের এক-দশমাংশ পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। দেশ দিল্লির বাজারে পরিণত হয়েছে। দেশের ভবিষ্যত কী? আমরা কি স্বাধীন আছি?